ব্র্যান্ড: আঁখি এগ্রো ফার্ম
রাজশাহীর ফজলি আম
বাংলার ফলের রাজা আম, আর আমের রাজা বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশাল আকৃতির "ফজলি আম"। বিশেষ করে রাজশাহীর মাটি ও জলবায়ুতে বেড়ে ওঠা এই আমটি তার অনন্য স্বাদ, মিষ্টি সুবাস এবং শাঁসালো গঠনের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। যারা আমের আসল তৃপ্তি পেতে চান, তাদের জন্য রাজশাহীর ফজলি আম এক অপরিহার্য নাম। আমরা সরাসরি রাজশাহীর বাগান থেকে বাছাইকৃত, পুষ্ট এবং প্রাকৃতিকভাবে পাকানো ফজলি আম আপনাদের দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছি।
0 Tk
ডেলিভারি ইনফরমেশন
নোট: বেঙ্গল হার্ব খাঁটি ভেষজ, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি ও অর্গানিক পণ্যের নির্ভরযোগ্য অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। এই পণ্যগুলোর বর্ণনা কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশনের বিকল্প নয়; তাই প্রয়োজনে ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আমরা কোনো প্রকার চিকিৎসা, পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন প্রদান করি না।
বিস্তারিত বর্ণনা (Description)
বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ: রাজশাহীর ফজলি আম মূলত এর বিশাল আকৃতি এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বাদের জন্য পরিচিত। একে স্থানীয়ভাবে অনেক সময় "ফজলি" বা বড় আমও বলা হয়।
-
আকৃতি: এটি আকারে বেশ বড় হয়, একেকটি আমের ওজন ৫০০ গ্রাম থেকে ১.৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
-
স্বাদ: এটি অত্যন্ত মিষ্টি এবং সুগন্ধযুক্ত। এর ভেতরে আঁশ নেই বললেই চলে, যা খাওয়ার অভিজ্ঞতাকে করে তোলে অতুলনীয়।
-
পুষ্টিগুণ: ফজলি আম ভিটামিন-এ, সি এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
উপকারিতা:
-
হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
-
ত্বক উজ্জ্বল রাখে এবং চোখের জ্যোতি বাড়ায়।
-
শরীরের তাৎক্ষণিক শক্তি বা এনার্জি যোগাতে কাজ করে।
প্রস্তুত প্রণালী (সংগ্রহ ও প্যাকেজিং): আমরা আম পাড়ার ক্ষেত্রে "ফ্রুট ব্যাগিং" বা প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণ করি। গাছ থেকে আম পাড়ার পর কষ ছাড়িয়ে সুতির কাপড় দিয়ে মুছে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ক্যারেটে প্যাকিং করা হয়, যাতে পরিবহনের সময় আমের কোনো ক্ষতি না হয়।
সতর্কতা:
-
আমরা কোনো প্রকার ক্যালসিয়াম কার্বাইড বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যবহার করি না।
-
আম পাওয়ার পর যদি কিছুটা কাঁচা মনে হয়, তবে কাগজের প্যাকেটে বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ২-৩ দিন রেখে দিন। ফ্রিজে সরাসরি কাঁচা আম রাখবেন না।
ব্যবহার প্রণালী (Instructions for Use)
১. আম খাওয়ার আগে অন্তত ৩০ মিনিট পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে আমের ভেতরের স্বাভাবিক তাপ কমে যায়। ২. ফজলি আম যেহেতু বড়, তাই এটি ফালি ফালি করে কেটে খাওয়ার জন্য আদর্শ। ৩. এই আম দিয়ে মজাদার ম্যাঙ্গো শেক, পুডিং বা ফ্রুট সালাদ তৈরি করা যায়। ৪. অতিরিক্ত পেকে গেলে এটি দিয়ে সুস্বাদু 'আমসত্ত্ব' তৈরি করা সম্ভব।











