ব্র্যান্ড: বেঙ্গল হার্ব

জিরার গুড়া

বাঙালির যে মসলাটি ছাড়া রান্নার স্বাদ অপূর্ণ থেকে যায়, তা হলো জিরা। একে স্থানীয়ভাবে অনেকে "জিরা" বা "জিরে" বলে ডাকেন। জিরার চমৎকার মাটির ঘ্রাণ (Earthy Aroma) খাবারের স্বাদকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই জিরার গুড়া স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত, যা অত্যন্ত পুষ্ট ও সুগন্ধি জিরা দানা থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো প্রকার ভেজাল বা কৃত্রিম ফ্লেভার ছাড়া এটি তৈরি করা হয়, যা আপনার রান্নাকে যেমন সুস্বাদু করবে তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। গুনাগুন, উপকারিতা, সতর্কতা ও ব্যবহার প্রনালীর বিস্তারিত বর্ণনা নিচে দেওয়া হল।

বিক্রয় মূল্যঃ

1 Tk

আইডি: P81 | পরিমাণ: 0

স্টক নেই

অনলাইনে অর্ডার করুন:

অথবা, সহজে অফলাইনে অর্ডার করুন:

সরাসরি কল করুন: 01601442377

ডেলিভারি ইনফরমেশন

ঢাকা সিটির মধ্যে70.00 টাকা
ঢাকা জেলার মধ্যে90.00 টাকা
সমগ্র বাংলাদেশ120.00 টাকা
বিস্তারিত ডেলিভারি তথ্য →

নোট: বেঙ্গল হার্ব খাঁটি ভেষজ, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি ও অর্গানিক পণ্যের নির্ভরযোগ্য অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। এই পণ্যগুলোর বর্ণনা কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশনের বিকল্প নয়; তাই প্রয়োজনে ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আমরা কোনো প্রকার চিকিৎসা, পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন প্রদান করি না।

শেয়ার করুন

গুনাগুন ও উপকারিতা (Benefits)

জিরা কেবল একটি মসলা নয়, এটি আয়ুর্বেদিক গুণের আধার:

  • হজম শক্তি বৃদ্ধি: জিরা শরীরের হজমকারী এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে, ফলে বদহজম ও গ্যাসের সমস্যা দ্রুত দূর হয়।

  • ওজন নিয়ন্ত্রণ: জিরা মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরের বাড়তি চর্বি বা মেদ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

  • আয়রনের উৎস: জিরাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।

  • রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

  • উন্নত স্বাদ ও ঘ্রাণ: তরকারি, সুপ বা সালাদে জিরার গুড়া এক অনন্য আভিজাত্য নিয়ে আসে।

প্রস্তুত প্রণালী (Production Process)

এই প্রোডাক্টটি স্থানীয় উৎস থেকে সংগৃহীত, যা - ১. সতেজ ও পুষ্ট জিরা দানাগুলো স্থানীয় বাজার ও উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়। ২. আধুনিক মেশিনে ঝেড়ে ধুলোবালি ও ময়লা সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়। ৩. এর সুগন্ধি তেল ও গুণাগুণ অটুট রাখতে হালকা তাপে (Dry Roast) ড্রাই করা হয়। ৪. কোনো প্রকার রঙ বা চালের কুঁড়া মেশানো ছাড়াই উন্নত মেশিনে মিহি করে গুড়া করে প্যাকেটজাত করা হয়।

সতর্কতা (Cautions)

  • অতিরিক্ত সেবনে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক কমে যেতে পারে, তাই পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করুন।

  • গর্ভবতী নারী ও বিশেষ রোগীদের ক্ষেত্রে অধিক পরিমাণে জিরা সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

  • বাতাসের সংস্পর্শে ঘ্রাণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই সবসময় এয়ার-টাইট বক্সে রাখুন।

ব্যবহার প্রণালী (Instructions for Use)

জিরার গুড়া ব্যবহারের জনপ্রিয় কিছু নিয়ম:

১. রান্নায় ব্যবহার:

  • মাংস, সবজি বা ডালের রান্নায় রান্নার শেষের দিকে ১ চা-চামচ জিরার গুড়া যোগ করুন। এতে খাবারের ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২. ওজন কমাতে ও ডিটক্স ওয়াটার হিসেবে:

  • প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১/২ চা-চামচ জিরার গুড়া ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি মেদ ঝরাতে জাদুর মতো কাজ করে।

৩. টক দই বা ঘোল তৈরিতে:

  • লাচ্ছি, বোরহানি বা টক দইয়ের সাথে এক চিমটি জিরার গুড়া মিশিয়ে খেলে হজম দ্রুত হয় এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু লাগে।

৪. সালাদ ও চাটনিতে:

  • যেকোনো ফ্রুট সালাদ বা ভর্তায় সামান্য জিরার গুড়া ছিটিয়ে দিলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায়।

ব্যবহার প্রণালী (Instructions for Use)

জিরার গুড়া ব্যবহারের জনপ্রিয় কিছু নিয়ম:

১. রান্নায় ব্যবহার:

  • মাংস, সবজি বা ডালের রান্নায় রান্নার শেষের দিকে ১ চা-চামচ জিরার গুড়া যোগ করুন। এতে খাবারের ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২. ওজন কমাতে ও ডিটক্স ওয়াটার হিসেবে:

  • প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১/২ চা-চামচ জিরার গুড়া ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি মেদ ঝরাতে জাদুর মতো কাজ করে।

৩. টক দই বা ঘোল তৈরিতে:

  • লাচ্ছি, বোরহানি বা টক দইয়ের সাথে এক চিমটি জিরার গুড়া মিশিয়ে খেলে হজম দ্রুত হয় এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু লাগে।

৪. সালাদ ও চাটনিতে:

  • যেকোনো ফ্রুট সালাদ বা ভর্তায় সামান্য জিরার গুড়া ছিটিয়ে দিলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায়।

1 টাকাস্টক নেই